প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না

নওগাঁয় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০২টি গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবার সরকারী অর্থে পেলেন দূর্যোগ সহনীয় বাড়ি ঃ প্রথম ধাপে পেয়েছেন ১০৫৬টি পরিবার

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না


মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন খাকবে না” জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে নওগাঁ জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০২টি গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবার বাড়ি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কর্মসূচীর আওতায় এসব এসব বাড়ি প্রদান করা হয়েছে।

নওগাঁ’র জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন-অর-রশিদ জানিয়েছেন প্রত্যেককে ২শতাংশ করে খাস জমি বন্দোবস্তপূর্বক গৃহ প্রদান করা হয়েছে। গৃহ নির্মান সম্পন্ন হওয়ার পর সকল উপজেলায় এসব গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবারের অনুকুলে কবুলিয়ত ও নামজারী সম্পন্ন হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার সারাদেশের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নওগাঁয় এই ৫০২ উপকারভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। 

জেলা প্রশাসকের দেয়া তথ্য মতে উপজেলাভিত্তিক গৃহ বরাদ্দকৃত পরিবারের সংখ্যা হচেছ নওগাঁ সদর উপজেলায় ১০টি, বদলগাছি উপজেলায় ৯টি, মহাদেবপুর উপজেলায় ৭৬টি, আত্রাই উপজেলায় ১০টি, রানীনগর উপজেলায় ৩৩টি, মান্দা উপজেলায় ২১টি, পতœীতলা উপজেলায় ১১৭টি, ধামইরহাট উপজেলায় ২০টি, পোরশা উপজেলায় ৭১টি, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৭৫টি এবং  সাপাহার উপজেলায় ৬০টি। 

সম্পন্ন সরকারী অর্থায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের এসব বাড়ি তৈরী করতে প্রতিটির জন্য খরচ হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। 

অপরদিকে ইতিপূর্বে প্রথম পর্যঅয়ে ২০২০-২১ অর্থ বছরে মুজিব শতবর্ষে গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচীর আওতায় ভুমিহীন “ক” শ্রেণীর দূর্যোগ সহনীয় ১০৫৬টি গৃহ নির্মান করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলাভিত্তিক এসব গৃহ বিতরনের পরিমাণ হচ্ছে আত্রাই উপজেলায় ১৭৫টি, রানীনগর উপজেলায় ৯০টি, নওগাঁ সদর উপজেলায় ১১০টি, বদলগাছি উপজেলায় ৪৮টি, সাপাহার উপজেলায় ১২০টি, পতœীতলা উপজেলায় ১১৪টি, মহাদেবপুর উপজেলায় ৩৪টি, মান্দা উপজেলায় ৯০টি, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৭১টি, ধামইরহাট উপজেলায় ১৫০টি এবং পোরশা উপজেলায় ৫৪টি। প্রথম পর্যায়ের এসব প্রতিটি বাড়ি নির্মান করতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে। এতে মোট খর হয়েছে ‘১৮ কোটি ৫ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা।